ad728

যবিপ্রবিতে গবেষণা পোস্টার প্রেজেন্টেশনে ফিজিওথেরাপি বিভাগের পুরষ্কার অর্জন


FavIcon
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত : ২৮ জানুয়ারী, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ

ছবির ক্যাপশন: ad728

যবিপ্রবিতে গবেষণা পোস্টার প্রেজেন্টেশনে ফিজিওথেরাপি বিভাগের পুরষ্কার অর্জন 

যবিপ্রবি প্রতিনিধি : আল আমিন 

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) তে ২৫ জানুয়ারি ভার্সিটি ডে উপলক্ষে পোস্টার প্রেজেন্টেশন,  পিঠা উৎসব,  আলপনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিভাগ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। 

গবেষণা পোস্টার প্রেজেন্টেশনে ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন (পিটিআর) বিভাগের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে দুইটি পুরষ্কার অর্জন করেছেন।

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৫ উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের গবেষণায় উদ্বুদ্ধ করতে বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে গবেষণা পোস্টার প্রেজেন্টেশন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। এই প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮টি বিভাগের প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।  

ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ থেকে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর দুই পর্যায়ে সর্বমোট ২৫ জন শিক্ষার্থী গবেষণা পোস্টার প্রেজেন্টেশনে অংশ নেন। তাদের মধ্যে দুটি ক্যাটাগরিতেই বিভাগটির দুইজন শিক্ষার্থী তাদের গবেষণার গুণগত মান এবং দক্ষ উপস্থাপনার জন্য পুরস্কৃত হন।  

স্নাতকোত্তর পর্যায়ে মাস্টার্স অব ফিজিওথেরাপি ইন মাস্কুলোস্কেলিটাল মেডিসিন প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত ডা. রায়হান ইসলাম তার গবেষণা উপস্থাপনার জন্য ৬ষ্ঠ স্থান অর্জন করেন।  
অন্যদিকে স্নাতক পর্যায়ে  ফিজিওথেরাপি বিভাগের ইন্টার্ন ফিজিওথেরাপিস্ট কাজী মো. আজমান হোসেন তার গবেষণার জন্য ১০ম স্থান অর্জন করেন।

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণার আরো মনোনিবেশ করাতে যবিপ্রবির উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মজিদ নিজ হাতে বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট এবং সার্টিফিকেট তুলে দেন।

বিভাগটির প্রভাষক ডা. কাজী মো. এমরান হোসেন এ বিষয়ে বলেন যে, এই অর্জন ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের শিক্ষার্থীদের গবেষণায় সম্পৃক্ত হওয়ার প্রতি উৎসাহিত করবে এবং দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভাগের সুনাম ছড়িয়ে দিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ ভবিষ্যতেও গবেষণার মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে অনন্য অবদান রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।