ad728

নাটোরে 'ইয়াং চেস ফেস্টিভাল ২০২৫' অনুষ্ঠিত হয়েছে


FavIcon
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত : ৩০ জানুয়ারী, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ

ছবির ক্যাপশন: ad728

নাটোরে 'ইয়াং চেস ফেস্টিভাল ২০২৫' অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মোঃ ইমরান আহমেদ।
নিজস্ব প্রতিবেদক, নাটোর।

নাটোর সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ইয়াং চেস ফেস্টিভাল ২০২৫’। ‘তারুণ্যের উৎসব ২০২৫’-এর অংশ হিসেবে আয়োজিত এই দাবা প্রতিযোগিতা তরুণদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ও কৌশলগত চিন্তাভাবনা উন্নয়নের এক গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হয়ে ওঠে।


ফেস্টিভালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন। তিনি ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাটোর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আক্তার জাহান সাথী।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের বিভিন্ন ছবি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। প্রদর্শনীতে জুলাই আগস্ট ঘটনার দুর্লভ ও গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি স্থান পায়। জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন এবং আগস্ট বিপ্লবের ছবিগুলো বিশেষভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। তার সাথে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)আক্তার জাহান সাথী ছাত্র প্রতিনিধি মো. হাবিব হোসেন।


দাবা একটি কৌশলগত খেলা, যা তরুণদের মেধা ও ধৈর্যের পরীক্ষায় সহায়ক ভূমিকা রাখে। এ ধরনের প্রতিযোগিতা বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।


এই দাবা প্রতিযোগিতায় ৬টি দল অংশগ্রহণ করে, যেখানে প্রতি দলে ৬ জন করে খেলোয়াড় ছিলেন। মোট ৩৬ জন খেলোয়াড় টুর্নামেন্টে অংশ নেন। অংশগ্রহণকারী দলগুলো হলো
নাটোর স্পোর্টিং ক্লাব,নাটোর চেস একাডেমি,
ইয়াং টাইগার চেস ক্লাব,এমবিশন চেস ক্লাব,
বনলতা চেস ক্লাব, মর্নিং গ্লোরি স্পোর্টিং ক্লাব,

টুর্নামেন্টটি পরিচালনা করেন মোঃ কৌশিক চৌধুরী, মোঃ শাহরিয়ার নিপুন, প্লাবন ভট্টাচার্য, মোঃ ওমর ফারুক।

টানটান উত্তেজনাপূর্ণ খেলা শেষে নাটোর চেস ক্লাব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে, আর রানার্স আপ হয় ইয়াং টাইগার চেস ক্লাব।

খেলা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আক্তার জাহান সাথী। বিজয়ীদের মাঝে ট্রফি 🏆 এবং ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।


নাটোর সদর উপজেলার প্রশাসনের এই আয়োজন কেবল একটি প্রতিযোগিতা নয়, বরং তরুণদের মানসিক বিকাশ ও কৌশলগত চিন্তাভাবনার উৎকর্ষ সাধনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

এ ধরনের আয়োজন তরুণ প্রজন্মকে সৃজনশীল ও মেধাবিকাশের পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। প্রশাসন আগামী বছর আরও বড় পরিসরে এই প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা করছে।