
বাংলাদেশের একটি অনেক জনপ্রিয় অনলাইন বেটিং সাইট ভেল্কি।এই ভেল্কির পাল্লায় পরে সাধারণ মানুষ তাদের সর্বস্ব হারাচ্ছে প্রতিনিয়ত যার প্রভাব তার সমাজে, পরিবারে এবং আর্থিক ভাবে সমস্যার মুখমুখি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। আমাদের দেশে এই ধরনের বেটিং সাইট চলে কিভাবে আমার প্রস্ন ? কে এর পিছনে আছে? ৫ ই আগস্টের আগে পর্যন্ত চিন্তা ছিল হয়ত এসব সাইট আওয়ামীলীগ এর ছত্রছায়ায় চলছে । কিন্তু আওয়ামীলীগ পতনের পরে ও আমাদের সমাজে এসব ওয়েব সাইট কিভাবে চলছে কারা এর পিছনে আছে ?
আজ আমাদের একটি সুন্দর সমাজ সুন্দর সবকিছু থাকার কথা ছিল কিন্তু আজ এসব এডিকশন এর কারনে সমাজের আজ এ অবস্থা ।
অনলাইন বেটিং একটি মরন ফাঁদ যা সাধারণ মানুষ বুঝে না। এসব সাইটে আপনাকে ওরা যা দেখাবে আপনি তাই দেখবেন। আপনার হাতে কিছুই নাই। অরাই আপনাকে জিতাবে আবার তারাই আপনাকে হারাবে। এটাই অনলাইন বেটিং এর নিয়ম সব ওদের হাতে নিয়ন্ত্রিত । আপনাকে প্রতি নিয়ত ধোঁকা দিয়ে যাচ্ছে।
আর এসব অনলাইন বেটিং কে সাহায্য করে চলছে আমাদের দেশের মোবাইল ফাইনেন্স সার্ভিস যা আমাদের দেশে অনিয়ন্ত্রিত ভাবে চলছে, এসব বেটিং সাইটে টাকা পাঠাচ্ছে বিকাশ, নগদ , রকেট এর মাধ্যমে ।
বিকাশ , নগদ, রকেট কোম্পানি অনিয়ন্ত্রিত ভাবে এসব এজেন্তদের কাছে আমাদের দেশের টাকা চলে যাচ্ছে আর তারা তা বিদেশে হুন্ডির মাধ্যমে পাচার করছে।
বিকাশ , নগদ, রকেটের কিছু এজেন্ট ও তাদের সাথে জড়িত । এসব এজেন্টরা এসব ওয়েব সাইটের এজেন্টদের টাকা লেনদেন করে থাকে ।
এদেরকে কোন ভাবেই প্রতিহত করা যাচ্ছে না।
পরিশেষে আমি বলবো প্রশাসন এসব এজেন্টদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোক।
না হলে দেশ ও জাতি ধ্বংসের মুখে পরে যাবে।
**শিরোনাম: ** "যে বাজি সবকিছু ধ্বংস করল"
**ধরণ: ** সামাজিক সচেতনতা,
সারসংক্ষেপ: একজন পরিশ্রমী মানুষ, রবি, অনলাইন বাজির ফাঁদে পড়ে, বিশ্বাস করে যে তিনি তার পরিবারের আর্থিক অবস্থা পরিবর্তন করতে পারবেন। তবে, তার আসক্তি মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনে—আর্থিক ধ্বংস, পারিবারিক ভাঙ্গন এবং ব্যক্তিগত হতাশা।
দৃশ্য ১: ফাঁদের শুরু (অভ্যন্তরীণ. বসার ঘর – রাত)
(রবি, একজন মধ্যবিত্ত মানুষ, সোফায় বসে ফোন স্ক্রল করছে। সে একটি অনলাইন বাজির অ্যাপে প্রবেশ করে এবং বিশাল জয়ের বিজ্ঞাপন দেখে।)
রবি (নিজের সাথে, উত্তেজিত) শুধু একবার বাজি... যদি জিতি, আমি অবশেষে একটি নতুন বাইক কিনতে পারব এবং আমার পরিবারের জন্য ভালো জীবন নিশ্চিত করতে পারব!
(সে কিছু টাকা জমা দেয় এবং প্রথম বাজিটি স্থাপন করে। স্ক্রিনে ঝলক দেয়—আপনি জিতেছেন!)
রবি (হাসছে) এটি খুব সহজ টাকা!
(সে আবার বাজি ধরে, আবারও জেতে, যা তার উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলে।)
দৃশ্য ২: আসক্তির শুরু (অভ্যন্তরীণ. শয়নকক্ষ – গভীর রাত)
(রবি কম্বলের নিচে লুকিয়ে তার ফোনে বাজি ধরছে। তার স্ত্রী জেগে ওঠে।)
স্ত্রী (ঘুম জড়ানো কণ্ঠে, উদ্বিগ্ন) রবি, তুমি এত রাত জাগছ কেন? তুমি কী করছো?
রবি (নাড়াচাড়া করে) কিছু না, শুধু কিছু খবর দেখছি।
(স্ত্রী তাকে সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখে কিন্তু আবার ঘুমিয়ে পড়ে। রবি বাজি ধরতে থাকে।)
দৃশ্য ৩: পতন (অভ্যন্তরীণ. বসার ঘর – দিন)
(রবি একটি বড় পরিমাণ হেরে যায়। তার মুখ ফ্যাকাশে হয়ে যায়। সে সাথে সাথে আরও টাকা জমা দেয়।)
রবি (অস্থিরভাবে) আমি পরবর্তী রাউন্ডেই সব ফেরত পাব…
(স্ক্রিনে ঝলক দেয়—আপনি হেরে গেছেন!)
রবি (রাগান্বিতভাবে চিৎকার করে) না! আরেকবার চেষ্টা করি!
দৃশ্য ৪: পারিবারিক সংকট (অভ্যন্তরীণ. রান্নাঘর – সন্ধ্যা)
(স্ত্রী খুঁজে পায় যে তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খালি এবং বিলগুলি পরিশোধ করা হয়নি। সে রবির মুখোমুখি হয়।)
স্ত্রী (ক্রুদ্ধ, কাঁদছে) আমাদের সব টাকা কোথায় গেল, রবি?! স্কুল থেকে ফোন এসেছে; আমাদের ছেলের ফি পরিশোধ হয়নি! বাড়িওয়ালা আমাদের বের করে দিতে চাইছে!
রবি (অপরাধবোধে নিঃশব্দ)
(স্ত্রী তার ফোন ছুড়ে ফেলে। তাদের ছেলে ভীত এবং বিভ্রান্ত হয়ে দেখে।)
দৃশ্য ৫: চূড়ান্ত পর্যায় (অভ্যন্তরীণ. অন্ধকার ঘর – রাত)
(রবি একা বসে আছে, তার খালি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের দিকে তাকিয়ে। তার ফোন বাজে—ঋণ দাতারা টাকা চাইছে।)
ঋণ দাতা (ফোনে) আগামীকাল টাকা না দিলে খারাপ কিছু ঘটবে।
(রবি ভেঙে পড়ে, কাঁদতে থাকে।)
দৃশ্য ৬: উপলব্ধি এবং পরিত্রাণ (বহিঃস্থ. মন্দির – সকাল)
(রবি মন্দিরের বাইরে বসে, খুশি মানুষদের দেখে। পাশের এক বৃদ্ধ লোক কথা বলে।)
বৃদ্ধ লোক (জ্ঞানগর্ভভাবে) বেটা, লোভ আমাদের অন্ধ করে। শুধু পরিশ্রমই প্রকৃত সুখ দেয়।
(রবি তার ভুল বুঝতে পারে। সে বাড়ি ফিরে যায়, স্ত্রীকে ক্ষমা চায় এবং সবকিছু ঠিক করার প্রতিশ্রুতি দেয়। সে একটি সহায়তা গোষ্ঠীর সাহায্য নেয়।)
দৃশ্য ৭: সমাজের প্রতি বার্তা
"অনলাইন বাজি জীবন ধ্বংস করে। বাজি ধরার আগে ভাবুন।"
সমাপ্ত।
আপনার মতামত লিখুন :