ইসমাইল খন্দকার ভাটারা আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস
নিজস্ব প্রতিবেদক
-
প্রকাশিত : ০৫ মার্চ, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
ভাটারা আওয়ামীলীগের সক্রিয় সন্ত্রাসী শহিদুল আমিন ও তার একমাত্র সহযোগী ইসমাইল খন্দকার।
ভাটারা জমি দখল, চাঁদাবাজি , সন্ত্রাসী কার্যক্রম ইসমাইল খন্দকার এর মাধ্যমে পরিচালিত হত।
আলহাজ শহিদুল আমিন খন্দকার নিজে তাকে অর্ডার দিতেন।
এমনি একজন ভুক্তভোগী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী যিনি দীর্ঘদিন যাবত নতুন বাজার এলাকায় ফুতপাতে ব্যবসা করে আসছে। তার বরাত দিয়ে সর জমিনে জানা যায়, শহিদুল আমিন ও তার সহযোগী ইসমাইল খন্দকার তার কাছে থেকে বিগত ১০ বছর চাঁদাবাজি করে আসছে শুধু তার কাছ থেকে নয় বরং তারা নতুন বাজার সব ফুতপাতের দোকানি থেকে চাঁদা নিয়ে আসছে ।
সোল মাইদের এক ব্যবসায়ী তার নতুন জমি ক্রয় করে বাড়ি করতে আসলে তার থেকেও নেয়া হয় মোটা অংকের টাকা যার পুরটাই ইসমাইল খন্দকার নিজে আত্বসাৎ করে বলে সর জমিনে জানা যায়।
ইসমাইল খন্দকার শুধু এতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না, শহিদুল আমিন খন্দকার এর শক্তিতে সোলমাইদ এলাকার বিভিন্ন মানুষের উপরে করেছে নির্যাতন , সোলমাইদ এলাকায় সর জমিনে যেয়ে দেখা মিলে ঐ এলাকায় অধিকাংশই কিশোরগঞ্জ অষ্ট গ্রাম এর লোকজন এরা সবাই মলত লেবার, বিকশা চালক, ভ্যান চালক, তাদের একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানায় যে ইসমাইল খন্দকার এর নির্যাতনের বর্ণনা।
ঐ লোক একতা এক সময় অষ্টগ্রাম থেকে ঢাকায় এসে সোলমাইদ এলাকায় ব্যবসা শুরু করে তার ঐ ব্যবসার সুবাদে ও এলাকার ত্রাস হিসেবে পরিচয় হয় ইসমাইল খন্দকার এর সাথে ।
এর পর থেকেই ঐ ব্যবসায়ীর জীবনে নেমে আসে কালরাত।
ইসমাইল খন্দকার প্রায় প্রতিদিন ঐ লোকের কাছে থেকে চাঁদা দাবী করত , এবং ইস্মাইলের সাথে তার আরেক সহযোগীও চাঁদা দাবী করত যার নাম সায়েম ফাঁসের টেক এলাকার বাসিন্দা করম আলির ছেলে।
ঐ লোক চাঁদা দেয়ায় অস্বীকৃতি জনালে ইসমাইল খন্দকার ও সায়েম তাকে ইয়াবা টেবলেট দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দেয় এবং পরে ইসমাইল ও সায়েম দুজনে ভাটারা থানা থেকে তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসে এবং মোটা অংকের টাকা তার কাছ থেকে জোড় পূর্বক আত্তসাৎ করে বলে জানায় সে ভুক্তভোগী।
ইসমাইল খন্দকারদের গদ ফাদার হল শহিদুল আমিন খন্দকার যার ছত্র ছায়ার গড়ে উঠে এসব সন্ত্রাসী।
শহিদুল আমিন, ইসমাইল খন্দকার, সায়েম এর এখন পলাতক, আওয়ামী সরকারের শাসন আমলে এরা চাঁদাবাজি লন্ঠন করে বাড়ি গাড়ির মালিক বনে গেছে।
এরা পালায় থেকেও সচ্ছল ভাবে জীবন যাপন করছে ,
করমল আলির ছেলে সায়েম ফাঁসের টেক নিবাসী যে কি না এস,এস,সি ফেল তার এলাকায় সে বর্তমানে বিশাল বাড়ীর মালিক।
প্রসাসনের কাছে আবেদন এসব আওয়ামী সন্ত্রাসিদের অতি শিগ্রই আইনের আওতায় আনার জোর দাবী জানাচ্ছি।
আপনার মতামত লিখুন :