ad728

ভাটারা থানার শহিদুল আমিন খন্দকার যার নিয়ন্ত্রনে ছিল পুরো নতুন বাজার


FavIcon
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত : ০৭ মার্চ, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ

ছবির ক্যাপশন: ad728

ভাটারা থানার শহিদুল আমিন খন্দকার যার নিয়ন্ত্রনে ছিল পুরো নতুন বাজার এলাকা। শুধু তাই নয় তার মাধ্যমে সংঘটিত হত নতুন বাজার এলাকার আওয়ামী সন্ত্রাসী কাযক্রম।

আওয়ামী সরকার পতনের পরে শহিদুল আমিন খন্দকার দেশ ত্যাগ করেন তাকে গ্রেফতার করার জন্য পুলিশ সেনা বাহিনী র‍্যাব তার বাসায় হানা দেয় কিন্তু তার আগেই তিনি পলাতক হয়ে যান, এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দৈনিক বেলা বার্তা জানতে পারে যে  তিনি বর্তমানে মালেয়শিয়া অবস্থান করছেন ।
মালেয়শিয়া থেকেও তিনি নতুন  বাজার এলাকার কলকাঠি নাড়ছেন। আওয়ামী লীগের সকল সন্ত্রাসীদের সাথে প্রতিনিয়ত তার কথোপকথন চলছে।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলণের সময় নতুন বাজার এলাকায় ছাত্রদের উপর আওয়ামী সন্ত্রাসীদের আক্রমনের পিছনে  শহিদুল আমিন খন্দকার বিশাল ভুমিকা পালন করেন , তার অর্ডারে নতুন বাজার এলাকায় কমল মতি ছাত্রদের উপরে নৃশংস হামলা চালায় আওয়ামী লীগ , ছাত্র লীগ, যুবলীগ যাদের কেওই এখন নতুন বাজার এলাকায় নেই, কেও কেও গাঁ ঢাকা দিয়েছে কেও কেও বিদেশ পালিয়ে গেছে।
শহিদুল আমিন খন্দকার নতুন বাজার এলাকায় চাঁদাবাজি , ভুমি দখল , নারী নির্যাতন সকল প্রকার অপরাধ মুলক কার্যক্রম এর সাথে জড়িত ছিল । একজন ভুক্তভোগীর সাথে কথা বলে জানা যায় ( নাম প্রকাশে অনিছুক ) শহিদুল আমিন খন্দকারের সাথে কেও ভয়ে প্রতিবাদ করত না। তিনি বিচারে যা সিদান্ত নিতেন তাই বলবত থাকত।
এমনকি ৩৯ নং ওয়ার্ডে নির্বাচনে তিনি যা বলতেন তাই হত , কে জিতবে কে হারবে শহিদুল আমিন খন্দকার  নিজেই ঠিক করতেন পুরো নির্বাচন আওয়ামীলীগ সরকার কাকে এলাকার কাউন্সিলর বানাবে তা আগেই নির্ধারণ করা ছিল। 
শহিদুল আমিন খন্দকার চাঁদাবাজিতে ছিলেন অনেক পারদর্শী , এলাকার ছাত্রলীগ যুবলীগ কে কাজে লাগিয়ে করতেন মানুষের উপরে অমানবিক নির্যাতন। 
তার কথায় ভাটারা থানা পুলিশ সব করত এক গোপন সুত্রে জানা যায়।

বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন, তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ভাটারা থানায় রজু হয়েছে।
তার এক ভাই রাশেদুল খন্দকার তিনি ভাই শহিদুল আমিন খন্দকারের ক্ষমতা প্রয়োগ করে নিরীহ মানুষের উপরে করতেন নির্যাতন । 
এক গোপন সুত্রের মাধ্যমে বেলা বার্তা জানতে পারে রাশেদুল খন্দকারের সব অপকর্ম শহিদুল আমিন খন্দকার নিজে সমাধান করতেন। 
তার ভয়ে নুতুন বাজার এলাকার মানুষ রাশেদুল খন্দকারের সব অপকর্ম মাথা পেতে নিতেন। 
কেও কিছু বলার সাহস পেত না। 
স্বৈরাচারী আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পরে মানুষ সস্তির নিঃশ্বাস নিচ্ছে। 
সহিদুল আমিন খন্দকারের মতন অনেক আওয়ামীলীগ দোসর এখন গাঁ ঢাকা দিয়ে আছে ।
এদের বিচার কি বাংলার মাটিতে হবে না?
এরা অর্থের বলে সাধারণ মানুষদের জিম্মি করে রাখে। 
এদের বিচার চাই এ প্রতাশায়  বাংলার জনগন ।