ভাটারার আওয়ামীলী যুবলীগের চাঁদা বাজ হাজী ইকবাল হোসেন খন্দকার ও সায়েম
নিজস্ব প্রতিবেদক
-
প্রকাশিত : ০২ এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
ভাটারা আওয়ামীলী যুবলীগের চাঁদা বাজ হাজী ইকবাল হোসেন খন্দকার ও সায়েম।
ডেস্ক রিপোর্ট
বেলা বার্তা
যুবলীগের হাজী ইকবাল হোসেন খন্দকার যিনি চাঁদাবাজি করে ভাটারার সোলমাইদে করেছেন বাড়ি করেছেন গাড়ি করেছেন বিশাল সম্পদ, বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন, সাথে পলাতক রয়েছে ফাঁসের টেক নিবাসী করম আলীর পুত্র সাজ্জাদ হোসেন সায়েম। যারা যুবলীগের চাঁদাবাজ, নতুন বাজার এবং সোল মাইদে তারা ছিল এক ত্রাসের নাম , শহিদুল ইসলাম খন্দকারের নির্দেশে তারা করত বিভিন্ন মানুষের কাছে চাঁদাদাবী যার সব টাকা সাজ্জাদ হোসেন সায়েমের হাত ধরে চলে যেত ইকবাল খন্দকারের কাছে।
ইকবাল হোসেন খন্দকার আওয়ামী সরকারের ১৭ বছর আগেও ইকবাল হোসেন খন্দকার ছিলেন একজন সাধারণ সোলমাইদ এলাকার মানুষ হতাৎ আওয়ামীলীগ এ যোগদান করে হয়ে যান বিশাল রাঘব বোয়াল।
সোলমাইদ এলাকায় করেন একাধিক বাড়ি করেন একাধিক গাড়ি, পড়াশোনা না করলেও ইকবাল হোসেন খন্দকার ছিলেন অনেক চতুর প্রকৃতির মানুষ চাঁদা টেন্ডার বাজি ছিল তার নিত্য দিনের কাজ সোলমাইদ এবং নতুন বাজারের রাস্তার ফুটপাত থেকে আওয়ামী যুবলীগের প্রতিদিনের চাঁদা বাজির টাকা আসত প্রায় ২,৫০,০০০/- লক্ষ টাকার মত। যার মধ্যে ১ ভাগ চলে যেত ইকবাল হোসেন খন্দকার ও সায়েম এর কাছে আর পরোটাই থাকত শহিদুল আমিন খন্দকার এর কাছে ।
শুধু তাই নয় ইকবাল হোসেন খন্দকার সোল মাইদ এলাকায় নিজ বাসার আসে পাছে দোকান বসিয়ে নিত মাসিক চাঁদা যা কালেকশন করত সায়েম।
সোলমাইদ এলাকায় ইকবাল খন্দকারের দিক নির্দেশনায় সায়েম এসব টাকা কালেকশন করত এবং সায়েম কে নির্দেশ দেয়া ছিল সোলমাইদ এলাকায় কে জমি কিনে বাড়ি করতেসে সায়েমের কাছে খবর আসার সাথে সাথেই সায়েম ইকবাল কে জানাত এর ঠিক পর মুহূর্তেই সায়েম তার দলবল নিয়ে ঐ বাড়ীর মালিকের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে এসে ইকবাল কে দিত ।
এরপর সায়েমের খেলা শুরু হত সায়েম ঐ বাড়ীর মালিকে জোর পূর্বক তার কাছ থেকে ইটা , বালি, সিমেন্ট কিনতে প্রেসার করত জমির মালিক কোন কুল কিনারা না পেয়ে সায়েম আর ইকবালের আরেক ভাই কবির এর কাছে থেকে তার মাল ক্রয় করা লাগত বাজার মুলের অনেক বেশী দামে।
এভাবেই মানুষের অপরে জুলুম করে এরা আজ বনে গেছে কোটি কোটি টাকার মালিক এখন তারা বিদেশে আরাম আয়েশ করছে এরা এত টাকা মানুষের লুট পাট করে কামিয়েছে যে এরা এখন বিদেশ গিয়ে বসবাস করছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সোল মাইদ নিবাসী যিনি জানান ইকবাল খন্দকার ও সায়েম তার কাছ থেকে ২৫,০০০,০০/- টাকা বিভিন্ন ভয় দেখিয়ে আত্মসাৎ করেছে ভুক্তভুগির কাছ থেকে এরকম আরও অনেক মানুষ আছে ভাটারায় যারা শহিদুল খন্দকার, ইকবাল খন্দকার, ও সায়েমের অত্যাচারের শিকার।
এদের কে গেফতার করে আইনের আওয়তায় আনার জোর দাবী জানাছি ।
আপনার মতামত লিখুন :